দর্শক বন্ধু, অনেকেই ফোন করছেন; বলছেন— ধনতেরাস কখন, কীভাবে পালন করব? কারণ ধনতেরাস দু’দিনে পড়েছে। সেই সঙ্গে ধনতেরাসের আগে এবং পরে কী কী করা উচিত, কোনটি অনুচিত? এবং যমদীপ দানের আসল কারণ, সেই সঙ্গে দিনক্ষণ সম্বন্ধে কিছু বলুন।
ইউটিউবে প্রোগ্রাম ছাড়বার আগে প্রতি বছর বিভিন্ন পত্রপত্রিকার মাধ্যমে এবং ফেসবুকের মাধ্যমে লিখিতভাবে সবাইকে জানাতাম— ধনতেরাসের অর্থ কী, কবে কখন পালন করা উচিত এবং এতে কী কী সুফল পাওয়া যায়। গত বছর থেকে ইউটিউবে এই ধনতেরাস এবং যমদীপ দান সম্বন্ধে আপনাদেরকে অবগত করবার চেষ্টা করছি। আশা করি, গত বছর যাঁরা ইউটিউবে আমার ভিডিও দেখেছেন, তাঁরা নিশ্চয়ই ধনতেরাস ও যমদীপ দান সম্বন্ধে জেনেছেন এবং পালনও করেছেন।
তবে কিছু মানুষের ভুল তথ্য পরিবেশনের কারণে অনেকেই শুভ লক্ষ্মীর পরিবর্তে দোকান থেকে অলক্ষ্মীকে কিনে ঘরে নিয়ে গেছেন ধনতেরাসের শুভ দিনে। শুনে হয়তো অনেকেই অবাক হচ্ছেন— ধনতেরাসের দিন কী করে মানুষ কী এমন কিনেছেন, যার ফলে অলক্ষ্মীকে ঘরে নিয়ে যেতে পারে! হ্যাঁ বন্ধু। আপনাদের মধ্যে অনেকেই ধনতেরাসের দিন অলক্ষ্মীকে ঘরে নিয়ে গেছেন, যার জন্য অনেকেই দারিদ্রতার মধ্যে দিয়ে দিন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন। কীভাবে তা সম্ভব হয়েছে, সেটা নিশ্চয়ই জানবার ইচ্ছা হচ্ছে আপনাদের সকলের। তাহলে আসুন, সংক্ষেপে জেনে নিই ধনতেরাস সম্বন্ধে।
👑 ধনতেরাস প্রথা এবং সোনা কেনার কারণ
ধনতেরাস কবে কোথায় চালু হয়েছিল, তার কোনো সঠিক তথ্য আমার ঠিক নেই। তবে হিন্দি বলয়ে কথিত আছে— কোনো এক রাজা তাঁর স্ত্রীর অনুরোধে কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশীর সন্ধ্যায় জঙ্গলে গিয়ে একটি গর্ত খুঁড়ে তার মধ্যে এক ঘড়া অর্থাৎ একটি কলসিতে করে স্বর্ণমুদ্রা এবং স্বর্ণালংকার ইত্যাদি রেখে তার ওপর একটি ডালিম গাছ লাগিয়ে দিয়ে বাড়ি ফিরে এসেছিলেন, যাতে পরবর্তীকালে রাজা বুঝতে পারেন, এই ডালিম গাছের নিচেই আমার গচ্ছিত স্বর্ণমুদ্রাসহ স্বর্ণালংকার রয়েছে। এরপর রাজার রাজত্ব বেশ ভালোই চলছিল। হঠাৎই এক বছর বৃষ্টি না হওয়ায় ফলে প্রচণ্ড খরায় ফসল উৎপাদন এক প্রকার বন্ধ হয়ে যায়। সেইসঙ্গে খাদ্যের অভাবসহ নানা রোগব্যাধিতে জর্জরিত হয়ে পড়ে প্রজাগণ। রাজা খুব দয়ালু ছিলেন; তিনি প্রজাদের এই কষ্ট সহ্য করতে না পেরে প্রতিবেশী রাজার কাছে গিয়ে খাদ্যশস্য দানের অনুরোধ জানান। কিন্তু প্রতিবেশী রাজা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বিনামূল্যে খাদ্য বা শস্য দান তাঁর পক্ষে অসম্ভব।
সঙ্গে রানীও ছিলেন; রানী সঙ্গে সঙ্গে রাজাকে স্মরণ করিয়ে দেন কার্তিক মাসের কৃষ্ণা ত্রয়োদশীর সেই সন্ধ্যার কথা। রাজা তৎক্ষণাৎ প্রতিবেশী রাজাকে বলেন, “আপনি খাদ্যশস্য মজুদ রাখুন; খুব শীঘ্রই আমি স্বর্ণমুদ্রা নিয়ে আপনার কাছে আসব এবং খাদ্যশস্য নিয়ে যাব।” কথা অনুযায়ী পরের দিন সকালেই রাজা তাঁর বিশ্বস্ত সৈন্য-সামন্ত নিয়ে সেই ডালিম গাছের কাছে গিয়ে তাঁর গচ্ছিত স্বর্ণমুদ্রা এবং স্বর্ণালংকার তুলে নিয়ে আসেন এবং ওই রাজার কাছে গিয়ে স্বর্ণালংকার ও স্বর্ণমুদ্রার বিনিময়ে খাদ্যশস্য নিয়ে এসে প্রজাগণের মধ্যে বিতরণ করে দেন। প্রজাগণ এতে অত্যন্ত খুশি হন এবং রাজার রাজত্বে সুখ-শান্তি ফিরে আসে। সেই সঙ্গে কিছুদিনের মধ্যেই বৃষ্টিপাতের ফলে রাজ্যে আবার খাদ্য উৎপাদন শুরু হয়।
পরবর্তীকালে যখন প্রজাগণ রাজার দ্বারা সোনা এবং সোনার গহনা গচ্ছিত রাখবার বিষয়ে জানতে পারেন, তখন থেকে তাঁরাও কার্তিক মাসের কৃষ্ণা ত্রয়োদশীর শুভক্ষণে স্বর্ণালংকার এবং স্বর্ণমুদ্রা গচ্ছিত রাখা আরম্ভ করেন ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে। অবশ্য অনেকেরই ধারণা, স্বর্ণ ব্যবসায়ীগণ তাঁদের ব্যবসা বৃদ্ধির জন্যই এই ধনতেরাসের প্রথা আরম্ভ করেছেন। একথা সত্যি, নব্বইয়ের দশকের আগে পশ্চিমবাংলায় ধনতেরাসের তেমন কোনো প্রচলন ছিল না। আমার যতদূর ধারণা, নব্বইয়ের দশক থেকে পশ্চিমবাংলায় ধনতেরাসের অনুষ্ঠান সাড়ম্বরে পালিত হয়ে আসছে। ইতিপূর্বে উত্তর ভারতে এই ধনতেরাসের অনুষ্ঠান সাড়ম্বরে পালিত হতো। কিন্তু বর্তমানে প্রায় সারাদেশেই ধনতেরাসের অনুষ্ঠান পালিত হয়ে থাকে।
এতে কোনো ক্ষতি হয় বলে আমার ধারণা নেই। তবে এই একটা দিনে যদি মানুষ কিছু সঞ্চয় করেন, তাহলে তা ভবিষ্যতে অবশ্যই কাজে দেয়। যেমন: গত দু’বছর আগে দশ গ্রাম সোনার মূল্য ছিল কমবেশি ৫০,০০০ টাকা; কিন্তু বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে কমবেশি ৮০,০০০ টাকায়। অর্থাৎ, বুঝতেই পারছেন— আজকের সঞ্চয় উজ্জ্বল ভবিষ্যতের অঙ্গীকার। আর এই একটি দিনে আপনি যদি আপনার সাধ্যমতো সোনা কিনে রাখতে পারেন, তাহলে ভবিষ্যতে কোনো বিপদে-আপদে সেই সোনা বিক্রি করে সেই বিপদ থেকে আপনি নিশ্চয়ই মুক্তি পেতে পারেন। এই কারণেই ধনতেরাসের দিনে স্বর্ণালংকার কেনার প্রথাটিকে আমি পূর্ণ সমর্থন করি।
অবশ্য সোনার অলঙ্কার কিনবার আগে ভালো করে যাচাই করে নিতে ভুলবেন না। কারণ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আছে, যারা এই দিনে আপনাকে নানাভাবে ঠকাতে পারে; অর্থাৎ ২২ বা ২৪ ক্যারেট সোনার নাম করে ১৬ বা ১৮ ক্যারেটের সোনা বিক্রি করে থাকে। অর্থাৎ, ওই সোনার মধ্যে তামা বা ব্রোঞ্জ ভেজাল দিয়ে থাকে।
মনে রাখবেন, মা লক্ষ্মীর প্রিয় ধাতুটির রঙ হলুদ। অর্থাৎ, যদি আপনি সোনা কিনতে না পারেন, তাহলে পিতল বা কাঁসার কোনো বাসনপত্র ইত্যাদি কিনতে পারেন, যার দাম চট করে কমবে না। অথবা ধনতেরাসের দিন একটি ঘট কিনে তাতে পাঁচ টাকা, দশ টাকা অথবা কুড়ি টাকার একটি পেতলের কয়েন ফেলে রাখতে পারেন এবং প্রতিদিন সাধ্যমতো কিছু কিছু কয়েন ওই ঘটে জমাতে থাকুন। আগামী বছর ওই ঘটটি ভেঙে তা দিয়ে আপনার সাধ্যমতো স্বর্ণালংকার কিনে রাখবেন, যার দ্বারা ভবিষ্যতে আপনি বিপদমুক্ত হতে পারেন।
❌ অলক্ষ্মীর প্রবেশ: ঝাঁটা কেনার ভুল ধারণা
এখানে একটা কথা বলা বাঞ্ছনীয়— জানি না কে বা কারা ধনতেরাসের শুভ দিনে ঝাঁটা কিনবার কথা বলেছিল। তবে গত বেশ কয়েক বছর ধরে দেখছি, অনেকেই ধনতেরাসের দিনে ঝাঁটা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। অর্থাৎ, পয়সা দিয়ে সানন্দে অলক্ষ্মীকে ঘরে নিয়ে যাচ্ছেন।
এ কথা সত্যি, ধনতেরাসের আগে অর্থাৎ ত্রয়োদশী পড়বার আগে ঝাঁটা দিয়ে ঘর থেকে ঝুল, পুরনো জুতো, কুলো, ঝুড়ি, ঝাঁটা ইত্যাদি পরিষ্কার বা ফেলে দেওয়া উচিত। কিন্তু ধনতেরাসের দিন নয়। এবং সেটা করা উচিত কৃষ্ণা দশমীর মধ্যেই। তারপর ঘরে আর ঝাড়ু দেওয়া অর্থাৎ ঝুল ইত্যাদি ঝাড়া উচিত নয়।
কিন্তু কেউ বা কিছু অনভিজ্ঞ, অশিক্ষিত মানুষ সাধারণ মানুষের মধ্যে রটিয়ে দিয়েছে, ধনতেরাসের দিন ঝাঁটা কিনতে হয়। আসলে তারা মানুষকে সুখের মুখ দেখতে দিতে চায় না। তাই তারা ধনতেরাসের শুভ দিনে ঝাঁটা কিনে ঘরে নিয়ে গিয়ে ঘর পরিষ্কারের নামে শুভ লক্ষ্মীকে বিদায় করে অলক্ষ্মীকে ঘরে স্থান দেবার উপদেশ দিয়েছে। কারণ মানুষ যদি সুখে-শান্তিতে সংসার বা দিন যাপন করে, তাহলে ওই সমস্ত অনভিজ্ঞ, অশিক্ষিত জ্যোতিষ-তান্ত্রিক রূপী ব্যবসায়ীদের মানুষ ঠকানোর ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাবে এবং সংসার চলবে না।
আমি সকল দর্শক বন্ধুদের কাছে অনুরোধ করছি, দয়া করে ধনতেরাসের দিন ঝাঁটা কিনবেন না। এতে আপনার দারিদ্রতা বৃদ্ধি পাবে এবং সংসারের সুখ-শান্তি বিঘ্নিত হবে; সেই সঙ্গে নানা রোগ-জ্বালা বৃদ্ধি পাবে।
🗓️ ধনতেরাস: দিনক্ষণ ও শুভ মুহূর্ত (২০২৫)
যাইহোক, আসুন জেনে নেওয়া যাক ধনতেরাস কবে কখন কেন পালন করা উচিত।
কলকাতা থেকে প্রকাশিত একটি বিশিষ্ট পঞ্জিকার পণ্ডিতগণের মতে, আগামী ১৮ই অক্টোবর ২০২৫ বঙ্গাব্দের ৩১শে আশ্বিন ১৪৩২, শনিবার দুপুর ১টা ২০ মিনিটে তিথি দ্বাদশী ছেড়ে ত্রয়োদশী পড়বে এবং পরের দিন অর্থাৎ ১৯শে অক্টোবর ২০২৫ বঙ্গাব্দের ১লা কার্তিক ১৪৩২, রবিবার দুপুর ১টা ৫৩ মিনিট পর্যন্ত কৃষ্ণা ত্রয়োদশী থাকবে।
এই সময়কালের মধ্যে আপনি আপনার রাশিচক্র অনুযায়ী শুভক্ষণে আপনার সাধ্যমতো স্বর্ণালংকারটি খরিদ করতে পারেন। মনে রাখবেন, রুপো, লোহা, দস্তা অথবা স্টিলের জিনিস কিনবেন না। কারণ শ্রীশ্রী মা লক্ষ্মীর পছন্দের ধাতুটির রঙ হলুদ। আপনার নিজের শুভক্ষণটি জানবার জন্য স্ক্রিনে দেওয়া নাম্বারে একটি ফোন করে নিঃশুল্ক জেনে নিতে পারেন আপনার শুভক্ষণটি। অর্থাৎ, এর জন্য কোনো টাকা-পয়সা আপনাকে দিতে হবে না। কারণ শুভ দিন সকলের জন্য এক হলেও শুভক্ষণ সকলের জন্য এক হয় না। তাই শুভক্ষণটি এখানে বলতে পারছি না।
আশা করি, ধনতেরাস কখন এবং কেন পালন করবেন, সেই সম্বন্ধে নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন এবং এও বুঝতে পেরেছেন— ধনতেরাস উপলক্ষে আপনার কী করণীয়। আবার বলছি, বিশেষ প্রয়োজনে স্ক্রিনে দেওয়া নাম্বারে একটি ফোন করে আপনার সমস্ত প্রশ্নের উত্তর জেনে নিতে পারেন।
🪔 যমদীপ দান: নিয়ম, মন্ত্র ও সময় (২০২৫)
এবার জেনে নিন যমদীপ দান সম্বন্ধে। আমরা সাধারণত শ্রীশ্রী সূর্যদেবের পুত্র ধর্মরাজ বা যমরাজের পূজা করি না। অবশ্য কার্তিকী অমাবস্যার পর শুক্লপক্ষের দ্বিতীয়াতে অর্থাৎ ভ্রাতৃদ্বিতীয়াতে বোনেরা ধর্মরাজ বা যমরাজ এবং তাঁর ভগ্নী যমিনীকে স্মরণ করে ভাইয়ের কপালে ফোঁটা দিয়ে ভাইয়ের দীর্ঘায়ু কামনা করে থাকে। ভিডিওটি অনেক বড় হয়ে যাবে; তাই ভাইফোঁটা সম্বন্ধে বিশেষ আলোচনা করলাম না। পরবর্তীকালে আরেকটি ভিডিওর মাধ্যমে ভাইফোঁটার পুঙ্খানুপুঙ্খ আলোচনা করব।
যাইহোক, আশা করি, আপনাদের মধ্যে অনেকেই যমদীপ দানের আসল উদ্দেশ্য, নিয়ম, মন্ত্র এবং দিনক্ষণ জানবার অধীর আগ্রহে আছেন। তাহলে জেনে নেওয়া যাক যমদীপ দানের আসল কারণ এবং নিয়ম-নিষ্ঠা সহ মন্ত্র ও দিনক্ষণ।
স্বামী, সন্তান এবং আত্মীয়-স্বজনের দুর্ঘটনা থেকে মুক্তি এবং দীর্ঘায়ু কামনায় গৃহবধূ বা সন্তানের বিধবা মা-ও এই ব্রত পালন করতে পারেন।
- দিনক্ষণ: আগামী ১৮ই অক্টোবর ২০২৫ বঙ্গাব্দের ৩১শে আশ্বিন ১৪৩২, শনিবার।
- সময়: সন্ধ্যা ৫টা ৬ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টা ৪২ মিনিটের মধ্যে।
- স্থান: ৩ বা ৫ রাস্তার মোড়ের কোনো এক কোণে অর্থাৎ রাস্তার ধারে। যদি বাড়ির কাছে তিন বা পাঁচ রাস্তার মোড় না থাকে, তাহলে যেকোনো রাস্তার ধারে, যেখানে গাড়ি-ঘোড়া চলে, সেই রাস্তার ধারে।
নিয়ম: একটি মাটির হাঁড়ির মধ্যে একটি মাটির প্রদীপ জ্বেলে রেখে তার দক্ষিণ দিকে একটি মাটির বা কাগজের থালায় সাধ্যমতো ফল-মিষ্টি এবং একটি মাটির বা কাগজের গ্লাসে জল ঢেলে, তারপর কিছু কুচো গাঁদা ফুলের পাপড়ি ছড়িয়ে দিয়ে ধর্মরাজ বা যমরাজের উদ্দেশে, এই মন্ত্রটি মনে মনে কমপক্ষে ১০ সংখ্যা জপ করবেন।
মন্ত্রটি জেনে নিন:
“ওঁ মৃত্যুনা পাশ দণ্ডাভ্যাং কালঃ শ্যামলয়া সহ। ত্রয়োদশ্যাং দীপদানং সূর্য্যাজঃ প্রিয় তামিতি।।”
এরপর মনে মনে ধর্মরাজ বা যমরাজের উদ্দেশে স্বামী-পুত্রসহ পরিবারের সকল সদস্যের দীর্ঘায়ু কামনাসহ দুর্ঘটনা থেকে মুক্তির কামনা বা প্রার্থনা জানিয়ে পিছনে না তাকিয়ে বাড়ি ফিরে আসবেন। মনে রাখবেন, এই পূজা কেবলমাত্র গৃহবধূ এবং বিধবা মা-ও করতে পারেন।
সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছি— আপনারা সর্বক্ষেত্রে সফল হন এবং আপনাদের সকলের সমস্ত মনস্কামনা পূর্ণ হোক এবং ধন-ঐশ্বর্যে ভরে থাকুন সারা বছর।
লেখাটি সম্পূর্ণ পড়বার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো লাগলে একটি লাইক দিয়ে সঙ্গে থাকুন। ভাইফোঁটা এবং সামনের মাসের রাশিফল বলব কয়েক দিনের মধ্যেই; দেখতে থাকুন আমার চ্যানেলটি।
