ব্যক্তির জন্মকালীন রাশিচক্রে চন্দ্র যে গৃহে অবস্থানরত হয়, সেই গৃহটিকেই রাশি হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। অর্থাৎ জন্মকালে চন্দ্রের অবস্থানের ওপর নির্ভর করেই রাশি নির্ধারিত হয়ে থাকে। চন্দ্র মনের কারক গ্রহ, অর্থাৎ চন্দ্রই মনকে পরিচালিত করে থাকে এবং ওই রাশিটিকে নির্ধারণ করে পারিপার্শ্বিক গ্রহের নক্ষত্রগত অবস্থান এবং দৃষ্টি বিনিময়ের বিচারান্তেই ফলাদেশ অর্থাৎ ভবিতব্য বলা সম্ভব।
আর একটা কথা, পৃথিবীতে এখনো পর্যন্ত এমন কোনো প্রক্রিয়া আবিষ্কৃত হয়নি, যার দ্বারা ব্যক্তির জন্মের দিন, তারিখ, মাস, বছর, স্থান এবং সঠিক সময়ের বৃত্তান্ত ছাড়া লগ্ন তথা চন্দ্রের অবস্থান অর্থাৎ রাশি নির্ধারণ এবং চন্দ্রসহ অন্যান্য গ্রহের নক্ষত্রগত অবস্থানের ডিগ্রি, পল, বিপল এবং অনুপল নির্ধারণ করা সম্ভব। অর্থাৎ হাত, পা, মুখ, নাম, নামের অদ্যাক্ষর, মোবাইল নম্বর, কোনো ধরনের কার্ড, টিয়া পাখি বা তৎকালীন সময় ইত্যাদির দ্বারা সঠিক জ্যোতিষ বিচার এবং তার ফলাদেশসহ প্রতিকার নির্ধারণ কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
বছরের শুরুতে সমস্ত পাঠক-পাঠিকার কাছে আমার একান্ত অনুরোধ—ভুল পথে পরিচালিত হবেন না; সঠিক পথ অনুসরণ করুন, খুব শীঘ্রই উন্নতির শিখরে পৌঁছে যাবেন। তাছাড়া কিছু গ্রহের নক্ষত্রগত অবস্থান এবং দৃষ্টি বিনিময়ের কারণে মানুষের জীবনে উত্থান-পতন লেগেই থাকে। তাই ও নিয়ে বিশেষ চিন্তিত হবার তেমন কোনো কারণ আছে বলে আমার মনে হয় না। একটু ধৈর্য ধরুন, সব ঠিক হয়ে যাবে।
পাথর-কবজ নয়, আমার স্বপ্নে পাওয়া নিঃশুল্ক কিছু প্রতিকার এবং টোটকা এখানে উল্লেখ করলাম। সেগুলো অনুসরণ করলে আশা করি আপনারা মুক্তির উপায় খুঁজে পাবেন। এই সমস্ত প্রতিকার এবং টোটকা কোনো বইতে লেখা পাবেন না; কারণ এর সবটাই আমার স্বপ্নে পাওয়া এবং কোনো জ্যোতিষ-তান্ত্রিকেরই জানা নেই।
আরেকটি অনুরোধ, এই লেখাটি এমন কোনো স্থানে সেভ (Save) করে রাখবেন যাতে সারা বছর দেখতে পারেন এবং প্রতি মাসের নির্দিষ্ট দিন অনুযায়ী আমার বলা ভবিতব্য আপনার জীবনের সাথে মিলিয়ে চলতে পারেন। আশা করি এর ফলে আপনাকে কোনো জ্যোতিষ-তান্ত্রিকের কাছে যেতে হবে না এবং কোনো ধরনের প্রতিকার ধারণও করতে হবে না।
