৯. ধনু রাশি ২০২৬

নমস্কার দর্শক বন্ধু! এখন বলব ধনু রাশির জাতক-জাতিকার জীবনে ২০২৬ সালের কোন মাসে কী ঘটতে পারে, সেই সঙ্গে নিঃশুল্ক প্রতিকার এবং টোটকা।

বছরের শুরু থেকেই আপনার নিজের এবং আপনার মায়ের শারীরিক দুর্বলতার দরুন নানা কাজে বাধা প্রাপ্ত হবেন এবং বারবার মানসিক বিধ্বস্ততার শিকার হতে বাধ্য হবেন। চিন্তা করবেন না; ১১ই মার্চ ২০২৬ দুপুর থেকেই ক্রমশ সুস্থতা ফিরে আসবে এবং ১৯শে সেপ্টেম্বর থেকে ১২ই নভেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ সুস্থ থাকবেন। সেই সঙ্গে আপনার কার্যক্ষমতা এবং উপস্থিত বুদ্ধিমত্তায় অনেকেই আপনার প্রতি আকর্ষিত হবে। আপনি যেখানে যে পদেই চাকরি করুন অথবা সংগঠনের নেতৃত্ব দেন না কেন, ১৬ই এপ্রিল থেকে ১৪ই মে ২০২৬-এর মধ্যে আপনার যশ ও ঐশ্বর্য বাড়বে—এতে কোনো সন্দেহ নেই।

তবে ১৭ই অক্টোবর থেকে ১৫ই নভেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে ভাগ্যবিড়ম্বনা দেখা দিতে পারে এবং ১১ই এপ্রিল থেকে ৩০শে এপ্রিলের মধ্যে আপনার কর্মস্থলে নানা রকম ডামাডোল দেখা দিতে পারে। ওই সময়ে কোনো রকম বেআইনি কার্যকলাপের মধ্যে নিজেকে জড়াবেন না; কারণ তাতে আপনার চাকরির ক্ষতি হতে পারে। তাই ওই সময়ে একটু সতর্ক থাকবেন।

এই মুহূর্তে আপনার ভ্রাতা-ভগ্নির সান্নিধ্যে আর্থিক সচ্ছলতা আপনাকে মুগ্ধ করতে পারে। কিন্তু আগামী ১২ই মার্চ ২০২৬ সকাল থেকে আপনার আর্থিক সচ্ছলতা সামান্য হ্রাস পেতে পারে; সেই সঙ্গে আপনার ভাই-বোনের শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিতে পারে। চিন্তা করবেন না, এর থেকে মুক্তির উপায় আছে—বলছি, একটু ধৈর্য ধরে লেখাটি পড়তে থাকুন।

যাঁরা গৃহনির্মাণ কর্মে হাত দিয়েছেন, তাঁরা হয়তো নানা রকম ভাবে বাধা প্রাপ্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে যদি কেউ তাঁর শ্বশুরালয়ের বাড়িঘর নির্মাণ বা মেরামতি করতে যান, সেখানেও হয়তো নানাভাবে বাধা প্রাপ্ত হতে পারেন। চিন্তা করবেন না; আগামী ১৬ই মার্চ ২০২৬-এর পর পরিস্থিতি ক্রমশ আপনার অনুকূল হবে এবং গৃহনির্মাণের সমস্ত কাজে সফলতা আসবে।

১৫ই জানুয়ারি থেকে ২৩শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিদ্যার্থীর বিদ্যায় নানা উন্নতিসহ প্রতিভার বহিঃপ্রকাশের সম্ভাবনা প্রবল। বিশেষ করে যারা মেডিকেল প্রফেশনের সাথে যুক্ত—অর্থাৎ ডাক্তারি, নার্সিং, ফার্মাসিস্ট ইত্যাদি নিয়ে যারা পড়াশোনা করছ—তাদের জন্য ১৫ই জানুয়ারি থেকে ২৩শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শুভদায়ক হতে পারে। ওই সময়টিকে অবশ্যই কাজে লাগাবার চেষ্টা করবে। অবশ্য ওই সময় নানাভাবে ব্যয় বৃদ্ধির সম্ভাবনাও রয়েছে; তাই মাথা ঠান্ডা করে এগিয়ে যেও—সফলতা আসবে।

এই মুহূর্তে স্বামী-স্ত্রী তথা প্রেমিক-প্রেমিকার সম্পর্ক বেশ সুমধুর আছে। কিন্তু আগামী ২৬শে ফেব্রুয়ারি থেকে ৩০শে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত আপনাদের মধ্যে সামান্য মনোমালিন্য দেখা দিতে পারে। সব থেকে বড় কথা হচ্ছে, আগামী ১১ই থেকে ৩০শে এপ্রিল ২০২৬-এর মধ্যে জায়া (অর্থাৎ জাতকের স্ত্রী বা জাতিকার স্বামী)-র স্বাস্থ্যের অবনতির কারণে নানাভাবে অর্থব্যয় তথা মানসিক বিধ্বস্ততার শিকার হতে পারেন। চিন্তা করবেন না, ২০২৬-এর মে মাসের শুরু থেকেই তাঁরা আবার ক্রমশ সুস্থ হয়ে উঠবেন।

সারা বছরই আপনার ভাগ্য কম-বেশি আপনাকে সঙ্গ দেবে। তবে ১৬ই এপ্রিল থেকে ১৫ই মে ২০২৬-এর মধ্যে ধনু লগ্নে জন্ম নেওয়া জাতক-জাতিকার জন্য অত্যন্ত শুভ তথা সৌভাগ্যদায়ক হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কর্মচারী, আধিকারিক, প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব, সংগঠনের নেতা-নেত্রী, অভিনেতা-অভিনেত্রী অর্থাৎ বিভিন্ন ধরনের শিল্পকলার সাথে যুক্ত ব্যক্তিগণ একটু সতর্ক থাকবেন; কারণ আগামী ২৭শে ফেব্রুয়ারি থেকে ১৯শে মার্চ পর্যন্ত নানা বাধা-বিড়ম্বনার সম্মুখীন হতে পারেন। বিশেষ করে ১০ই এপ্রিল থেকে ৩০শে মে ২০২৬ পর্যন্ত আপনার নিজের নির্বুদ্ধিতার কারণে কর্মক্ষেত্রে সম্মানহানি তথা সামাজিক প্রতিষ্ঠা বিপন্ন হতে পারে। তাই আমার একান্ত অনুরোধ, ওই দিনগুলিতে খুব সতর্কতা অবলম্বন করতে ভুলবেন না।

অবশ্য ২রা মে ২০২৬ থেকে ক্রমশ সময়টা আপনার অনুকূল হতে থাকবে এবং ৮ই আগস্ট থেকে ২৬শে আগস্ট ২০২৬-এর মধ্যে আপনার পদোন্নতিসহ মনমতো জায়গায় পোস্টিং হতে পারে। ধনু লগ্নের জাতক-জাতিকার জন্য ওই সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শুভদায়ক হতে পারে। সেই সঙ্গে বলে রাখা ভালো, আগামী ২রা মার্চ থেকে ২৪শে মার্চ ২০২৬-এর মধ্যে হঠাৎই খুলে যেতে পারে আয়ের নতুন নতুন পথ; কিন্তু ওই সময়ে শত্রুরা মাথাচাড়া দিতে পারে, অবশ্যই সতর্ক থাকবেন। আরও বিস্তারিত জানতে ইচ্ছুক ব্যক্তিগণ কল করতে পারেন অথবা সাক্ষাতে জেনে যেতে পারেন।


নিঃশুল্ক প্রতিকার এবং টোটকা:

ধনু রাশির সমস্ত সম্প্রদায়ের জাতক-জাতিকাগণ ঘুম থেকে উঠে পবিত্র দেহ, মন ও বস্ত্রে কাককে পবিত্র খাবার খেতে দিন এবং সাদা বাছুরসহ গরুকে পবিত্র গুড়, রুটি এবং জল খেতে দিন। দেখবেন ক্রমশ সময়টা আপনার অনুকূল হয়ে উঠেছে এবং জীবদ্দশায় কোনো রকম অর্থের অভাব দেখতে হবে না, সেই সঙ্গে ধন-ঐশ্বর্যে ভরে থাকবেন।

  • শুভ রং: সবুজ এবং নীল।
  • শুভ সংখ্যা: ৮ এবং ৯।
  • শুভ দিন: বুধবার এবং শনিবার।
  • বিশেষ টিপস: সর্বক্ষণ একটি হলুদ রঙের রুমাল সঙ্গে রাখতে পারেন; আশা করি অবশ্যই সফল হবেন।

হিন্দু সনাতনীরা প্রতি বৃহস্পতিবার নিরামিষ আহারসহ ব্রহ্মচর্য পালন করে শ্রীশ্রী মা তারার পূজায় মাকে তুষ্ট করতে পারলে, আশা করি আপনাদের জীবনের সমস্ত বাধা-বিড়ম্বনা দূর হবে এবং সর্বক্ষেত্রে সফল হবেন—এতে কোনো সন্দেহ নেই। পূজা পদ্ধতি এখানে বলতে পারলাম না; বিশেষ প্রয়োজনে সাক্ষাতে জেনে নিতে পারেন।

২০২৬-এ আপনার জীবন সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top