৬. কন্যা রাশি ২০২৬

নমস্কার দর্শক বন্ধু! এখন বলব কন্যা রাশি অর্থাৎ কন্যা রাশির জাতক-জাতিকার জীবনে ২০২৬ সালের কোন মাসে কী ঘটতে পারে, সেই সঙ্গে নিঃশুল্ক প্রতিকার এবং টোটকা।

বছরের শুরু থেকেই আপনার মনে সম্পদ বৃদ্ধির বাসনা জন্মাতে পারে। কিন্তু এই মুহূর্তে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, গাড়ি ইত্যাদি কোনো কিছু কেনা ঠিক হবে না; কারণ আপনি ঠকে যেতে পারেন। অবশ্য আগামী ১৬ই মার্চের পর অ্যাডভান্স বুকিং বা বায়না করে রাখতে পারেন এবং সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ও করতে পারেন। ওই সময়ে আপনার ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে অতি ক্ষীণ। তবে ২রা জুন থেকে ১লা নভেম্বরের মধ্যে নানাভাবে আর্থিক উন্নতির সম্ভাবনা প্রবল। ওই সময়ে জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট, গাড়ি ইত্যাদি অর্থাৎ সম্পত্তি বৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রবল। বিশেষ করে ১লা মার্চ থেকে ২৪শে মার্চের মধ্যে নানাভাবে ভাগ্যোদয়সহ আর্থিক উন্নতি ঘটতে পারে, সেই সঙ্গে খুলে যেতে পারে আয়ের নতুন নতুন পথ।

কন্যা লগ্নে জন্ম নেওয়া জাতক-জাতিকার জন্য মার্চ মাসটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শুভদায়ক হতে চলেছে। ওই মাসে নানাভাবে আর্থিক উন্নতি ঘটতে পারে। মনে রাখবেন, মানুষের জীবনে অর্থ উপার্জনের সুযোগ বারবার আসে না, তাই ওই সময়টিকে অবশ্যই কাজে লাগাবার চেষ্টা করবেন। কিন্তু আগস্ট মাসে নানাভাবে ভাগ্যবিড়ম্বনা সেই সঙ্গে আর্থিক অনটন দেখা দিতে পারে।

কন্যা লগ্নে জন্ম নেওয়া জাতক-জাতিকাগণের সাথে তাঁদের ভ্রাতা-ভগ্নির মতের পার্থক্য থাকতেই পারে। কিন্তু ১৫ই জানুয়ারি থেকে ২২শে ফেব্রুয়ারির মধ্যে আপনার ভাই এবং বোনের সুপরামর্শে এবং তাঁদের সান্নিধ্যে আপনি নানাভাবে উন্নতি করতে পারেন। প্রোমোটিং বা রিয়েল এস্টেট ব্যবসার সাথে যাঁরা যুক্ত, তাঁরা হয়তো এই সময় একটু ডিস্টার্ব আছেন অর্থাৎ নানা সমস্যার মধ্যে জড়িয়ে রয়েছেন। চিন্তা করবেন না; কিছুদিনের মধ্যেই অর্থাৎ ১৬ই মার্চ সকাল থেকে আপনার সমস্যা দূর হতে থাকবে এবং ২রা জুন থেকে আপনাদের জন্য সময়টি অত্যন্ত শুভদায়ক হতে চলেছে। সেই সঙ্গে যাঁরা অন্যান্য ব্যবসার সাথে যুক্ত, তাঁদেরও ২রা জুন থেকে ১লা নভেম্বরের মধ্যে নানাভাবে বাণিজ্য বৃদ্ধির সম্ভাবনা প্রবল।

বছরের শুরু থেকেই বিদ্যার্থীগণের জন্য সময়টা অত্যন্ত অনুকূল হয়ে উঠবে। বিশেষ করে ২১শে জানুয়ারি থেকে ১৭ই মে ২০২৬-এর মধ্যে নানাভাবে বিদ্যায় উন্নতিসহ প্রতিভার বহিঃপ্রকাশের সম্ভাবনা প্রবল। যাঁরা এআই (AI) বা কোনো ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে মাস্টার ডিগ্রি, পিএইচডি বা ওই ধরনের কোনো বিশেষ ডিগ্রি অর্জনের জন্য পড়াশোনা করছ, তাঁদের জন্য সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শুভদায়ক হতে পারে।

শুধু তাই নয়, কিছু জাতক-জাতিকার সন্তান-সন্ততি এমন কিছু ঘটিয়ে ফেলবে যার জন্য তাদের সন্তান শুধু নিজের বংশেরই নয়, সমাজ-সংসারেরও নাম উজ্জ্বল করতে পারে এবং সন্তানের কৃতিত্বে আপনি পেতে পারেন সামাজিক প্রতিষ্ঠা। কারও সন্তান পেয়ে যেতে পারে নতুন কর্মসংস্থান, কারও ঘটতে পারে পদোন্নতি। কর্মচারী, আধিকারিক, প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব, আইনজ্ঞ, শিল্পী, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, অভিনেতা-অভিনেত্রী, গায়ক-গায়িকা, শিক্ষক-শিক্ষিকা, সংগঠনের নেতা-নেত্রী ইত্যাদির জন্যও সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কিন্তু মনে রাখবেন, ওই সময়ে গুরুস্থানীয় শত্রুরাও বেশ ক্ষমতায় থাকবে; যদিও তারা হয়তো তেমন কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। তবুও সতর্ক থাকবেন, কারণ কন্যা লগ্নে জন্ম নেওয়া কিছু জাতক-জাতিকা গুপ্ত ষড়যন্ত্রের শিকার হতে পারেন। বছরের শুরু থেকে ১৫ই মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত আপনার নিজের মা এবং জায়া (অর্থাৎ জাতকের স্ত্রী বা জাতিকার স্বামী)-র স্বাস্থ্যের প্রতি লক্ষ্য রাখবেন; তেমন বুঝলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে দেরি করবেন না। অবশ্য তারপর তেমন কোনো সমস্যা দেখা যাচ্ছে না।

আরও বিস্তারিত জানতে ইচ্ছুক ব্যক্তিগণ সাক্ষাতে জেনে যেতে পারেন অথবা কল করতে পারেন। মানুষের জীবনে সমস্যার শেষ নেই, তবে চিন্তা করবেন না; সমস্যা মুক্তির নিঃশুল্ক প্রতিকার এবং টোটকা বলছি লিখে রাখুন। মনে রাখবেন, এই সমস্ত প্রতিকার এবং টোটকা কোনো পুঁথি-পুস্তকে অথবা কোনো জ্যোতিষ-তান্ত্রিকের কাছে পাবেন না; কারণ এগুলির সবটাই আমার স্বপ্নে পাওয়া।


নিঃশুল্ক প্রতিকার এবং টোটকা:

কন্যা রাশির সমস্ত সম্প্রদায়ের জাতক-জাতিকাগণ ঘুম থেকে উঠে পবিত্র দেহ, মন ও বস্ত্রে সাদা পায়রাকে পবিত্র ভাঙা গম এবং জল খেতে দিন। যদি আপনার কাছে সাদা পায়রা না থাকে, তাহলে চীনামাটি অথবা পাথরের একজোড়া সাদা পায়রা কিনে নিয়ে এসে তাদের সামনে দুটি বাটি রেখে একটিতে ভাঙা গম এবং অন্যটিতে জল খেতে দিন। প্রতিদিন সকালে জল ও খাবার পাল্টে দেবেন। দেখবেন ক্রমশ সময়টা আপনার অনুকূল হয়ে উঠেছে এবং জীবদ্দশায় কোনো রকম অর্থের অভাব দেখতে হবে না।

  • শুভ রং: সাদা এবং হলুদ।
  • শুভ সংখ্যা: ২ এবং ৭।
  • শুভ দিন: বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার।
  • বিশেষ টিপস: সর্বক্ষণ একটি সবুজ রঙের রুমাল সঙ্গে রাখতে পারেন; আশা করি অবশ্যই সফল হবেন।

হিন্দু সনাতনীরা প্রতি বুধবার নিরামিষ আহারসহ ব্রহ্মচর্য পালন করে মাতা শ্রীশ্রী ত্রিপুরেশ্বরীর পূজায় মাকে তুষ্ট করতে পারলে, আশা করি আপনাদের জীবনের সমস্ত বাধা-বিড়ম্বনা দূর হবে এবং সর্বক্ষেত্রে সফল হবেন—এতে কোনো সন্দেহ নেই। পূজা পদ্ধতি এখানে বলতে পারলাম না; বিশেষ প্রয়োজনে সাক্ষাতে জেনে নিতে পারেন।

২০২৬-এ আপনার জীবন সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top