নমস্কার দর্শক বন্ধু। এখন বলব মেষ রাশি অর্থাৎ ২০২৬-এর ফেব্রুয়ারি মাসে মেষ রাশির জাতক-জাতিকার জীবনে কী কী ঘটতে পারে; সেই সঙ্গে নিঃশুল্ক প্রতিকার এবং টোটকা।
দর্শক বন্ধু, এই মুহূর্তে মেষ রাশির শনির সাড়েসাতি চলছে। অনেকেই হয়তো আপনাকে ভয় দেখিয়ে পাথর, কবজ ইত্যাদি বিক্রি করবার চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু আমি বলছি ওইসব কিছুরই প্রয়োজন নেই; শুধু সত্যের পথে চলুন এবং এন্ড-স্ক্রিনের ভিডিওটি দেখুন, ওখানে সব কিছু বলা হয়েছে। মাসের শুরু থেকেই নানাভাবে ভাগ্যবিড়ম্বনার সম্ভাবনা প্রবল। অনেকেই হয়তো শনির সাড়েসাতির অজুহাতে পাথর, কবজ ইত্যাদি বিক্রি করতে চাইবে; দয়া করে ভয় পাবেন না। কোনো রকম পাথর বা কবজ নেওয়ার প্রয়োজন নেই, কারণ শনির সাড়েসাতির চেয়ে ভালো সময় আপনার জীবনে আর কোনোদিনই আসবে না। শুধু একটাই অনুরোধ—সত্যের পথে চলুন, ধর্মের পথে চলুন। একদিন আপনি বলবেন, “শনির সাড়েসাতির চেয়ে ভালো সময় আমার জীবনে আর আসেনি।”
কিছু জাতক-জাতিকাগণের বাণিজ্যে নানাভাবে আর্থিক উন্নতি ঘটতে পারে এবং একই সাথে কিছু জাতক-জাতিকার জায়া অর্থাৎ জাতকের স্ত্রী বা জাতিকার স্বামীর শখ-আহ্লাদ পূরণ করতে গিয়ে নানাভাবে অর্থ ব্যয় হতে পারে। তবে একথাও সত্যি, কিছু জাতক-জাতিকার জায়া অর্থাৎ জাতকের স্ত্রী বা জাতিকার স্বামীর সুপরামর্শে কর্মে নানা উন্নতির সম্ভাবনা প্রবল। কিছু জাতক-জাতিকার ভ্রাতা-ভাগ্নির সাথে মনোমালিন্য দেখা দিতে পারে। অবশ্য আর্থিক উন্নতির সম্ভাবনা প্রবল, সেই সঙ্গে অনেকেই হয়তো কিনে ফেলতে পারেন নতুন জমি, বাড়ি, ফ্ল্যাট বা গাড়ি ইত্যাদি। বিদ্যার্থীদের বিদ্যায় নানা উন্নতিসহ প্রতিভার বহিঃপ্রকাশের সম্ভাবনা প্রবল। বিশেষ করে আধিকারিক, প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব এবং সংগঠনের নেতা-নেত্রীদের জন্য সময়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শুভদায়ক হতে পারে। আপনার শত্রুরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান এবং ওরা হয়তো আপনার আয়ের পথে নানাভাবে বাধা-বিড়ম্বনার সৃষ্টি করতে পারে, সতর্ক থাকবেন। কিছু জাতক-জাতিকার অর্থের বিনিময়ে নতুন কর্মসংস্থান বা পদোন্নতি ঘটতে পারে। গুরুস্থানীয় ব্যক্তির শারীরিক অসুস্থতার কারণে নানাভাবে অর্থ ব্যয়ের সম্ভাবনাও প্রবল। চিন্তা করবেন না, এর থেকে মুক্তির উপায় আছে। বলছি, একটু ধৈর্য ধরে ভিডিওটি দেখতে থাকুন।
দর্শক বন্ধু, আমি জানি আপনারা আমার ভিডিওগুলি দেখেন, সাবস্ক্রাইব করেন, শেয়ার করেন এবং প্রচুর ফোন করেন। কখনো কখনো আমি অধৈর্য হয়ে পড়ি, কিন্তু আপনাদের সকলের ফোন অ্যাটেন্ড করি এবং সকলের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকি। কিন্তু আপনারা যেটা করেন না, তা হলো সময়মতো বেল আইকন বাজানো এবং কোনো রকম লাইক দেওয়া। যার ফলে সেকেন্ড টাইম অনেকেই আমার ভিডিও দেখতে পারেন না। অনেকেই কমপ্লেন করেন, “আপনার ভিডিও দেখেছিলাম দু-মাস তিন মাস আগে, তারপরে আর দেখতে পাচ্ছি না।” কেন দেখতে পাচ্ছেন না? আসলে আমরা ইউটিউবে প্রোগ্রাম ছেড়ে দিই, কিন্তু আপনার কাছে পৌঁছাবার দায়িত্ব ইউটিউব কোম্পানির। আপনি যদি লাইক দেন এবং বেল আইকন বাজান, তাহলেই সেকেন্ড টাইম আবার আমার ভিডিও দেখতে পাবেন এবং আমি ভিডিও ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেটি আপনার কাছে পৌঁছে যাবে। যাইহোক, ভালো লাগলে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমার চ্যানেলে পৌঁছে যান। সেখানে ১৫০০-এর বেশি ভিডিওর মাধ্যমে আপনার জীবনের জ্যোতিষ, তন্ত্র ও বাস্তুজনিত নানা সমস্যার সমাধান খুঁজে পাবেন।
তবে মনে রাখবেন: ভাগ্য + চেষ্টা = ফল। আপনার ভাগ্যে আছে, কিন্তু আপনি যদি সময়মতো চেষ্টা না করেন তাহলে পূর্ণ ফল নাও পেতে পারেন। তাই বন্ধু, আমি যা বললাম বা যা বলছি সেগুলো পাওয়ার চেষ্টা করুন, আমি বলছি ১০০% পাবেন এবং সবটাই মিলে যাবে আপনার জীবনের সাথে।
মেষ রাশির জাতক-জাতিকা অর্থাৎ ভাই এবং বোনেরা, আগামী ২১, ২২ এবং ২৩শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সতর্ক থাকবেন। কারণ ওই দিনগুলিতে আপনার নিজের নির্বুদ্ধিতার কারণে অকারণ অর্থ ব্যয়ের সম্ভাবনা প্রবল। অবশ্য এ মাসের ১, ২, ৮, ৯ এবং ২৮শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সকলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং শুভদায়ক। যেমন:
- ১লা ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (রবিবার): সারাদিন-রাত পূর্ণিমা থাকবে। দিনটি সকলের জন্য অত্যন্ত শুভদায়ক। এই দিনের শুভক্ষণে দীক্ষা গ্রহণ, দীক্ষা দান, বিপন্নারম্ভ, নৌকা গঠন, ঔষধকরণ ও ঔষধ সেবন ইত্যাদি কাজ সম্পন্ন করতে পারেন।
- ২রা ফেব্রুয়ারি (সোমবার): বিশেষ পূজা-পাঠ এবং দীক্ষা দান বা দীক্ষা গ্রহণ করতে পারেন।
- ৮ই ফেব্রুয়ারি (রবিবার): নৌকা গঠন, নৌকা চালন, ঔষধকরণ ও ঔষধ সেবন ইত্যাদির জন্য অত্যন্ত শুভদায়ক।
- ৯ই ফেব্রুয়ারি (সোমবার): পুণ্যাহ, বৃক্ষাদি রোপণ, বীজ বপন, ধান্য বৃদ্ধিদান, গবাদিপশু এবং যানবাহন ক্রয়-বিক্রয় ইত্যাদির জন্য অত্যন্ত শুভদায়ক।
- ২৮শে ফেব্রুয়ারি (শনিবার): শ্রীশ্রী গোবিন্দ দ্বাদশী, গোস্বামী মতে শ্রীশ্রী নৃসিংহ দ্বাদশী। ওই দিন রাত্রি ৮টা ৩০ মিনিটের মধ্যে আপনার নিজের রাশি অনুযায়ী শুভক্ষণে শ্রীশ্রী নৃসিংহ দেবের পূজাসহ শত্রু দমনের উদ্দেশ্যে মহাযজ্ঞের অনুষ্ঠান করতে পারেন। আশা করি অবশ্যই সফল হবেন এবং শত্রু বিনাশ হবে।
নিঃশুল্ক প্রতিকার এবং টোটকা:
মেষ রাশির সমস্ত সম্প্রদায়ের জাতক-জাতিকাগণ ঘুম থেকে উঠে পবিত্র দেহ, মন ও বস্ত্রে সাদা পায়রাকে ভাঙা গম এবং জল খেতে দিন। জ্যান্ত না পেলে চীনামাটি বা পাথরের একজোড়া পায়রার সামনে দুটি পাত্র রেখে একটিতে ভাঙা গম এবং অন্যটিতে জল দিন। প্রতিদিন ওগুলি পাল্টে দেবেন। দেখবেন ক্রমশ সময়টা আপনার অনুকূল হয়ে উঠেছে এবং জীবদ্দশায় কোনো রকম অর্থের অভাব দেখতে হবে না।
মেষ রাশির জাতক-জাতিকার জন্য শুভ রং সাদা ও নীল; শুভ সংখ্যা ২ ও ৮; শুভ দিন শুক্রবার ও শনিবার। এছাড়া সর্বক্ষণ একটি লাল রঙের রুমাল সঙ্গে রাখতে পারেন, আশা করি অবশ্যই সফল হবেন।
হিন্দু সনাতনীরা প্রতি মঙ্গলবার নিরামিষ আহারসহ ব্রহ্মচর্য পালন করে শ্রীশ্রী মা বগলার পূজায় মাকে তুষ্ট করতে পারলে আশা করি আপনাদের জীবনের সমস্ত বাধা-বিড়ম্বনা দূর হবে, সেই সঙ্গে সর্বক্ষেত্রে সফল হবেন—এতে কোনো সন্দেহ নেই। পূজা পদ্ধতি এখানে বলতে পারলাম না, বিশেষ প্রয়োজনে সাক্ষাতে জেনে নিতে পারেন। ভিডিও সম্পূর্ণ দেখার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। ভালো লাগলে একটি লাইক দিয়ে, সাবস্ক্রাইব করে বেল আইকনটি বাজিয়ে দিন এবং আমার গ্যালারিতে পৌঁছে ১৫০০-এর বেশি ভিডিওর মাধ্যমে আপনার জীবনের জ্যোতিষ, তন্ত্র ও বাস্তুজনিত নানা সমস্যার সমাধান খুঁজে নিন। সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন। ফেব্রুয়ারি মাসে আপনার জীবন সুখ-শান্তি এবং সমৃদ্ধিতে ভরে উঠুক। জয় মা।
বাস্তু দোষ কাটানোর জন্য এবং বাড়িতে পজিটিভ এনার্জি বা ইতিবাচক শক্তি বজায় রাখতে আপনি সহজ কিছু প্রতিকার বা টোটকা মেনে চলতে পারেন। নিচে মেষ রাশির জাতক ও সাধারণ সবার জন্য উপযোগী কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাস্তু টিপস দেওয়া হলো:
১. উত্তর-পূর্ব কোণ (ঈশান কোণ) পরিষ্কার রাখা
বাড়ির উত্তর-পূর্ব দিকটি হলো দেবতার স্থান। এই দিকটি সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং হালকা রাখুন। এখানে কোনো ভারী আসবাব বা আবর্জনা রাখবেন না।
- প্রতিকার: এই কোণে একটি পাত্রে জল এবং তাতে কিছু তাজা ফুলের পাপড়ি দিয়ে রাখতে পারেন। এটি বাড়ির নেতিবাচক শক্তি শুষে নেয়।
২. লবণের ব্যবহার (নেগেটিভ এনার্জি দূর করতে)
বাস্তুশাস্ত্রে লবণ নেতিবাচক শক্তি দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী।
- টোটকা: সপ্তাহে অন্তত একবার ঘর মোছার জলের মধ্যে সামান্য সামুদ্রিক লবণ (Sea Salt) মিশিয়ে ঘর মুছুন। এছাড়া বাথরুমের এক কোণে একটি কাঁচের বাটিতে কিছুটা লবণ রেখে দিন এবং ১৫ দিন অন্তর তা বদলে ফেলুন।
৩. প্রধান দরজার যত্ন
আপনার ভাগ্যের প্রবেশদ্বার হলো বাড়ির প্রধান দরজা।
- প্রতিকার: দরজার সামনে যেন কোনো জুতো বা আবর্জনা না থাকে। দরজার ওপরে বাইরে থেকে একটি ওঁ (ॐ) বা স্বস্তিক চিহ্ন লাগাতে পারেন। মেষ রাশির জাতক হিসেবে আপনি দরজার বাইরে একটি লাল রঙের স্বস্তিক চিহ্ন আঁকতে পারেন, এটি আপনার জন্য অত্যন্ত শুভ।
৪. অগ্নিকোণ বা রান্নাঘর
বাড়ির দক্ষিণ-পূর্ব দিক হলো অগ্নিকোণ। এখানে রান্নাঘর থাকা শ্রেয়।
- টিপস: যদি আপনার রান্নাঘর ভুল দিকে থাকে, তবে আগুনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে রান্নাঘরে একটি ছোট লাল রঙের বাল্ব জ্বালিয়ে রাখতে পারেন।
৫. কর্পূরের প্রতিকার
প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাড়ির প্রতিটি ঘরে কর্পূর পোড়ানো বাস্তুর জন্য খুব ভালো। এটি ঘরের বাতাসকে শুদ্ধ করে এবং অশুভ শক্তিকে দূরে রাখে।
৬. আরশীনগর বা আয়না
বিছানার ঠিক সামনে আয়না রাখবেন না। ঘুমানোর সময় নিজের প্রতিচ্ছবি আয়নায় দেখা দিলে শারীরিক অসুস্থতা ও মানসিক অশান্তি হতে পারে। যদি আয়না সরাতে না পারেন, তবে রাতে শোয়ার সময় আয়নাটি একটি কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখুন।
৭. গাছ বা ইনডোর প্ল্যান্ট
বাড়ির উত্তর বা পূর্ব দিকে তুলসী গাছ রাখা অত্যন্ত শুভ। তবে ভুলেও বাড়ির ভেতরে ক্যাকটাস বা কাঁটা জাতীয় গাছ (গোলাপ ছাড়া) রাখবেন না। এটি পারিবারিক বিবাদ সৃষ্টি করে।
বিশেষ পরামর্শ: আপনি যেহেতু মেষ রাশির জাতক, তাই আপনার শোবার ঘরে বা পড়ার টেবিলে একটি ছোট পিতলের হনুমান মূর্তি বা গদার ছবি রাখতে পারেন। এটি আপনাকে মানসিক দৃঢ়তা দেবে এবং বাস্তুগত বাধা কাটাতে সাহায্য করবে।
আরো বিস্তারিত জানবার জন্য সাক্ষাতে যোগাযোগ করতে পারেন মোবাইল নাম্বার :- ৭৯৮০৬৫১৭০৮, ৯৮৩১৮৩১৪৪২.
